শীতকালে প্রতিদিন গোসল করা উচিত নয় যে কারণে!

0

লাইফস্টাইল ডেস্ক :

প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গোসল করলে ত্বকের ক্ষতি হয়।

আমরা প্রতিদিনই সকালে বা সুবিধা অনুযায়ী সময়ে গোসল করি থাকি।

কিন্তু, শীতের সকালে গোসল করার কথা উঠলে কুঁকড়ে যাই। কুঁকড়ে যাওয়াই ভালো।

কারণ ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে প্রতিদিন গোসল না করাই ভালো। তাহলে আসুন আমরা জেনে নেই প্রতিদিন গোসল করার কুফলগুলো এবং শীতকালে প্রতিদিন সকালে গোসল না করার প্রয়োজনীয়তাগুলো-

(১) শীতে ত্বকের নিজেকে পরিষ্কার করার কৌশল গোসলের চেয়ে বেশি কার্যকর: বোস্টনের ত্বক বিশেষজ্ঞ ড. র‌্যানেল্লা হির্সচ বলেছেন, লোকে শুধু নোংরা হওয়ার কারণেই প্রতিদিন গোসল করেন না বরং সামাজিক রীতির সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্যই প্রতিদিন গোসল করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালে আমাদের ত্বকের নিজেকে নিজে পরিষ্কার করার কৌশলটি বরং গোসলের চেয়ে বেশি কার্যকর। আপনি যদি প্রতিদিনই শরীরচর্চা না করেন বা না ঘামেন বা এমন কাজ না করেন যাতে আপনার শরীর নোংরা হয় না তাহলে পানি থেকে দূরে থাকুন।

(২) ত্বকের ক্ষতি: আপনি যদি শীতকালে প্রতিদিন সকালেই গরম পানি দিয়ে গোসল করেন তাহলে আপনি আপনার দেহের উপকার করার চেয়ে বরং ক্ষতিই করছেন বেশি। এতে আপনার ত্বক আরো বেশি খসখসে এবং শুষ্ক হয়ে উঠবে। যার ফলে ত্বককে আর্দ্র এবং সুরক্ষিত রাখতে এতে যে প্রাকৃতিক তেল নিঃসরিত হয় তা নষ্ট হয়ে যায়। আর প্রতিদিনই যদি গোসল করা জরুরি হয় তাহলে শুকনো সাবান এবং শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এ ছাড়া আপনার গোসলের সময় ১০ মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।

(৩) উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো আপনার দরকার: রাসায়নিক উৎপন্নের বিষ থেকে রক্ষা করে ত্বক নিজেকে স্বাস্থ্যবান এবং সুরক্ষিত রাখতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া উৎপাদন করে। কিন্তু প্রতিদিন গোসল করলে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো চলে যায়। সুতরাং শীতকালে দুই দিন বা তিন দিন পরপর একদিন গোসল করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ত্বক বিশেষজ্ঞরাও একই পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

(৪) নখের ক্ষতি: প্রতিদিন গরম পানি দিয়ে গোসল করলে আপনার নখগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। কারণ গরম পানি দিয়ে গোসল করলে নখগুলো সম্প্রসারিত হয়, ছিলে যায় এবং কুচি কুচি হয়ে যায়। গোসল করার সময় নখ প্রচুর পরিমাণ পানি শুষে নেয়। আর এর ফলেই নখগুলো তাদের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা এবং তেল হারায়। পরিণতিতে নখগুলো শুকিয়ে যায় এবং দুর্বল হয়ে পড়ে।

কাওছার আক্তার মুক্তা// এসএমএইচ// বৃহস্পতিবার ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

 

Share.

Comments are closed.