অর্থনীতির উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে:শেখ হাসিনা

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বিশ্ব গড়তে উন্নয়ন অংশীদারদের আরও উদার হতে হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে ইতালির রোমে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) ৪১তম গভর্নিং কাউন্সিলের উদ্বোধনী সেশনের মূল বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট ফাউসন হোউংবো। এবারের সেশনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ভঙ্গুরতা থেকে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিস্থাপকতা: টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ’।
১৯৭৪ সালে বিশ্ব খাদ্য সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত আর্থিক সংস্থা হিসেবে আইএফএডি প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি মূলত কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ হবে মূল চাবিকাঠি। আর বৈশ্বিক অংশদারিত্ব ও সহযোগিতা ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।
উন্নয়ন অংশদারদের আরো উদার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশের শীর্ষ নেতা বলেন, দারিদ্র নির্মূলে উন্নয়ন অংশীদারদের আরেকটু উদার হতে হবে। বিশ্ব এখন এটাই চায়। টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করতে আপনাদের আহ্বান জানাই। বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আমরা ভঙ্গুরতা থেকে দীর্ঘ মেয়াদী স্থিতিস্থাপকতার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশ খুবই ভাগ্যবান দেশ, বিগত এক দশকের স্থিতিশীল শাসন পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের সামাজিক ও অর্থনীতির উন্নয়ন কৌশল প্রণয়ন করেছি। বিগত নয় বছর ধরে তা বাস্তবায়ন করেছি। বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, সৌভাগ্যক্রমে উন্নয়ন অংশীদাররা আগ্রহ ও উদারতা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন এবং আমরা যৌথভাবে গর্ব করার মতো অগ্রগতি করেছি। আশা করছি, এ ধরনের অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
ইফাদে’র সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আশা করি, আইএফএডি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বে আইএফএডির মডেল জাতিসংঘের অন্য সংস্থা ও সংগঠনগুলোর চেয়ে ভিন্ন। মানবকল্যাণে ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় থাকবে বলেও আশা করেন তিনি।

Share.

Comments are closed.