কালবৈশাখীর প্রভাবে নগরের নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

0

 চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

 কালবৈশাখীর প্রভাবে নগরের নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়ে দুর্ভোগে পড়েছে হাজারো মানুষ।  সকাল পৌনে ৯টা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে নগরের নিচু এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।আবহাওয়ার পূর্বাবাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুর হান্নান  বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জোয়ার শুরু হয়েছিলো। দুপুর ১টার পর থেকে ভাটা নামতে শুরু করবে। কালবৈশাখীর প্রভাবে সকাল পৌনে নয়টা থেকে নগরের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এখনো থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।’বিকেলে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে আরও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলেও জানান তিনি। এদিকে, সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানিতে নগরের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে নগরের নিম্নাঞ্চলের সড়ক ও অলিগলিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। নগরের বাকলিয়া, চকবাজার, বাদুরতলা, মুরাদপুর, চাকতাই, খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদসহ বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন হয়েছে। অনেকের বাসা, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন স্কুল ও অফিসগামী লোকজন।বাকলিয়া এলাকার তাফহিম   জানান, ‘রাতে বৃষ্টি হয়নি। কিন্তু সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিলো। সকাল পৌনে ৯টার দিকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে থাকে। একদিকে জোয়ারের পানি আর অন্যদিকে বৃষ্টিপাত। জোয়ার আসলেই বাকলিয়া এলাকায় পানি ওঠে যায়। সকালে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় পানি আরও বেড়ে গেলো। কখন যে এই এলাকার দুর্ভোগের শেষ হবে।’বাদুরতলা এলাকার সাকিব  জানান, ‘শুধু বৃষ্টি নয় দিনের বেলায় জোয়ার আসলেও বাদুরতলা এলাকায় পানি ওঠে যায়। অন্যান্

সাইফুল//এসএমএইচ//১৬ই মে, ২০১৮ ইং ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share.

Comments are closed.