পশ্চিমবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পশ্চিমবঙ্গ সফর প্রথাগত দ্বিপক্ষীয় সফর না হওয়া সত্ত্বেও বন্ধুত্বপূর্ণ দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নানা বিষয়ে আলাপ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান।তবে বাংলাদেশকে তিস্তার পানি বঞ্চিত করে  দিল্লি পিঠ চাপড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক পবিত্র সরকার।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ২৫ মে দুদিনের সফরে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার বলেছেন, শুক্রবার বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন, বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে অংশ নেওয়া এবং শনিবার আসানসোলে কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি লিট ডিগ্রি গ্রহণ, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকতনে বাংলাদেশ ভবন উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি। পরে তাঁরা একান্ত বৈঠকে অংশ নেবেন। শান্তিনিকেতনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই অবস্থায় তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির কোনো অগ্রগতি আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যান উপরাষ্ট্রদূত।তিস্তা চুক্তি আলোচনা হবে কি না জানতে চাইলে কলকাতায় বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান বলেন, ‘না, যেহেতু এটা প্রথাগত দ্বিপক্ষীয় মিটিং নয়; কেবল ভবন উদ্বোধন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্র হিসেবে দুজনের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। আমার মনে হয় না, এ ধরনের কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।’দীর্ঘদিন তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়ায় দিল্লির সমালোচনা করেন বিশিষ্ট লেখক ও শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার।পবিত্র সরকার বলেন, ‘আমি বাঙালি হিসেবে আমার অন্তরের কামনা তিস্তা চুক্তিটা হোক। বাংলাদেশের জনসমস্যার একটা সমাধান হোক। আমরা বাংলাদেশকে জলে বঞ্চিত করে তাকে পিঠ চাপড়ানির মতো একটা বঙ্গভবন করব শান্তিনিকেতনে; এটা আমি কোনো সমাধান বলে মনে করি না।’অনেকদিন পর পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ ভবন হওয়ায় বাঙালি ও বাংলাদেশ নিয়ে ভারতে গবেষণা ও চর্চা বাড়বে বলে মনে করেন পবিত্র সরকার।

সাইফুল//এসএমএইচ//২৪শে মে, ২০১৮ ইং ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share.

Comments are closed.