বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর সড়ক

0

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সাম্প্রতিক কয়েকদফা বন্যায় ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ মারাত্বক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এতে ওই এলাকার জনসাধারন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী ছাত্র–ছাত্রীরা হাট–বাজার ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
কাঞ্চননগর ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, গত জুন মাসে একাধিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ফটিকছড়ি উপজেলার একাধিক সড়ক বন্যায় ক্ষত বিক্ষত হয়েগেছে। বিশেষ করে কাঞ্চননগরের সাথে ফটিকছড়ি উপজেলা সদর, ফটিকছড়িলক্ষীছড়ি সদর, পাইন্দং ইউপি হতে কাঞ্চননগর ইউপি সংযোগ সড়ক, ফটিকছড়ি জিসি হতে রাঙ্গামাটিয়া নতুন বাজার ভায়া কাঞ্চননগর মফজল সিকদারের খামার বাড়ি সড়ক, চেঙ্গরকুল ব্রীজ হতে কমিউনিটি সেন্টার সড়ক, চেঙ্গরকুল ব্রীজ, রক্তছড়ি সড়ক হতে টিলা পাড়া সড়ক ও ব্রীজ, নওকাটা মুখ হতে টেক বাড়িয়া চা বাগান সড়ক ও ব্রীজ, ফেনুয়া চা বাগান হতে কাঞ্চননগর সড়ক, ধুরুং ফরেষ্ট অফিস ভায়া মানিকছড়ি সড়ক, ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ চৌধুরী সড়ক ও স্কুল সংলগ্ন ব্রীজ,লেলাং খালের ব্রীজ, কাঞ্চন নগর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা সড়কের ব্রীক সলিন ও কার্পেটিং নষ্ট হয়েছে। ব্রীজগুলো দুই পাশে মাটি সরে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
বন্যায় কাঞ্চন নগর উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামীয়া মাদ্রাসা, কাঞ্চন নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হামিদ পাড়া নুরানী মাদ্রাসা, ছালে আহমদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম কাঞ্চনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মানিকপুর কমিউনিটি সেন্টার প্লাবিত হয়েছে।
কাঞ্চননগর ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ উদ্দিন চৌধুরী কাতেব বলেন, বন্যায় আমার ইউনিয়নের শতাধিক বসত ঘর সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে। প্রায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। বিভিন্ন মৎস্য খামারের কয়েক কোটি টাকার মাছ নষ্ট হয়েছে। এসব ক্ষতিপোষাতে আমরা সামান্য ত্রাণের চাল, নগদ টাকা ও ঢেউটিন পেয়েছি। যা পর্যাপ্ত নয়।
ফটিকছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, কাঞ্চন নগরেই প্রথম আঘাত হানে বন্যা বা পাহাড়ি ঢল। তাই সেখানকার সড়কগুলি চিহ্ন–ভিন্ন হয়ে পড়েছে। আমরা প্রতিবেদন তৈরী করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি।

সাব্বির// এসএমএইচ//২০শে জুলাই, ২০১৮ ইং ৫ই শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share.

Comments are closed.