১২ বছরে নির্মাণ হয়নি পটিয়ার কালারপোল সেতু: জন দুর্ভোগ চরমে

0

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে এম. মহিউদ্দীন চৌধুরী :

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে শিকলবাহা কালারপোল সেতু গত ১২ বছরে নির্মাণ হয়নি। যার ফলে প্রতিদিন হাজার স্কুল কলেজ পডুয়া শিক্ষার্থী ছাড়াও কোলাগাঁও, কুসুমপুরা, পাঁচুরিয়া, শিকলবাহা সহ লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবিকার সন্ধানে চট্টগ্রাম শহরে আসা যাওয়া করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সেতু নির্মাণে টেন্ডার দিলেও টিকাদার কাজে অবহেলায় এলাকার মানুষের কষ্ট পেতে হয়।
জানা যায়, ২০০৭ সালে এস আলম সিমেন্ট বুঝায় বার্জের দাক্কায় কালারপোল সেতুটি ধসে য়ায়। সে থেকে এখনও পর্য়ন্ত আনুমানিক ৫ লাখ লোকের একমাত্র চলাচলের মাধ্যম কালারপোল সেতু নির্মাণ না হওয়ায় প্রতিদিন নৌকা চড়ে পারাপার হতে গিয়ে অনেকে আঘাত পেয়েছেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। তথ্য অনুন্ধানে জানা যায়, ২০১৪ সালে ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগ বেইলি সেতু নির্মাণ করে। কাজটি পায় ঢাকার মহিউদ্দিন কনস্ট্রাকশন লি:। সাব-কনট্রাক্টর হিসেবে শাকিল মাহমুদ কাজটি করেন। ২০১৪ সালের শেষের দিকে চলাচলের জন্য সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়। কিন্তু এর ছয় মাসের মাথায় ২০১৫ সালের ২ আগস্ট কালারপোল সেতুটি পশ্চিমাংশের একটি পিলার দেবে যায়। এতে পুনরায় বিপাকে পড়ে কোলাগাঁও, হাবিলাসদ্বীপ, ধলঘাট ও বোয়ালখালীর মানুষ। এর পর থেকে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয় সড়ক ও জনপদ বিভাগ। পুনরায় এ সেতু সংস্কারের জন্য ৪৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালে ২০ ফেব্রুয়ারী কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। কাজ শুরুর এক মাসের মাথায় পশ্চিম পাশের পিলারটি সম্পূর্ণ খালের গর্ভে চলে গেলে পশ্চিমাংশের সেতুটির একাংশ খালে পড়ে যায়। অন্যদিকে সেতুর পূর্বাংশ প্রতিরক্ষা দেয়াল দেওয়া হলেও দেয়ালের নিচে পাথর ব্লক না বাসানোর কারণে প্রতিরক্ষা দেয়াল ভেঙ্গে পড়েছে। দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহমদ জানান, সেতুর বিধ্বস্ত পূর্বাংশ মেরামতের কাজ চলছে। কয়েকদিনের মধ্যে চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হবে। তিনি আরো জানান, পূর্ণাঙ্গ কংক্রিট পাকা সেতু নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প কাজ শুরু করে। কিন্তু ঠিকাদারের অবহেলায় এখনো পর্যন্ত সেতুটি নির্মাণ না হওয়ায় এলাকার মানুষের মধ্যে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এব্যাপারে পটিয়ার এমপি আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী সেতু পরিদর্শনে গিয়ে সেতু নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পুর্ণ করার নির্দেশ দেন। এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে এ সেতুর কাজ সম্পুর্ণ করতে হলে নাম পরিবর্তনের দরকার কেন না এ খানে ওয়াহিদিয়া মাজার রয়েছে তার নাম করন করলে এ সেতু নির্মান দ্রুত হবে বলে এলাকাবাসী জানান।

সাব্বির// এসএমএইচ//২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share.

Comments are closed.