যুবলীগ নেতা হত্যা: আরেক রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

0

কক্সবাজার প্রতিনিধি

টেকনাফে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আরেক রোহিঙ্গা মো: হাসান (২০) পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। সোমববার ভোররাতে উপজেলার জাদিমুরা পাহাড়ের পাদদেশে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের ৩ জন সদস্য আহত হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত হাসান নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের মোহাম্মদ আমিরুল ইসলামের ছেলে।

এ নিয়ে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ৩ আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলো। এর আগে গত শনিবার ভোররাতে একই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আটকের পর হাসানকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রসহ হাসানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহত তিন পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই সাব্বির আহমদ, কনস্টেবল লিটন ও বাহার।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে জাদিমুরা এলাকায় একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী হ্নীলা ইউনিয়ন যুবলীগের ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি ওমর ফারুককে (২৪) তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে গুলি করে হত্যার পর পালিয়ে যায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনার পর যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার সড়কে নেমে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। পরে ফারুক হত্যায় মামলা দায়ের করা হয়। এতে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

সাব্বির=২৬শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share.

Comments are closed.