আগামী বাজেটে করপোরেট ট্যাক্স কমানো হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, আগামী বাজেটে করপোরেট ট্যাক্স কমানোর ব্যবস্থা করা হবে। এটা অত্যন্ত হাই। এটাকে একটু নিচে নামানোর চেষ্টা থাকবে।সচিবালয়ে ইআরএফ’র সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।অর্থমন্ত্রী বলেন, একটা সময় কল্পনা করা যেত না যে, দেশের অর্ধেক মানুষ ট্যাক্স দিবে। আমার এখন মনে হয়, ২০২০-২১ সালের মধ্যেই দেশের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষ ট্যাক্স দেবে। ইট’স এ ভেরি গুড ডেভেলপমেন্ট। আমি এটা নিয়ে অত্যন্ত প্রাউড।তিনি বলেন, আমাদের একটা ভীতি ছিল যে, একবার ট্যাক্স রিটার্ন দিলে আটকা পড়ব, আর কোনো দিন বের হতে পারব না। এই ভীতিটা এখন নেই। এখন কর প্রদান অলমোস্ট একটা উৎসবের মতো ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিস হ্যাজ আই থিংক আমাদের কর প্রশাসনও যথেষ্ট সাহায্য করেছে। তাদেরও যে আগের একটা অবস্থান ছিল, তারা একটু ডিসটেন্ট থাকতো সেটা এখন নেই। আমার মনে হয়, এই সরকারের নয়-দশ বছরে যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইনক্লুয়েশন এবং এমপাওয়ারমেন্ট দেয়ার আর নট ইকুয়েভোকেন্ট। বাট এনক্লুয়েশন মানেই হলো ইউ আর ইন দ্য প্রোসেস অব এমপাওয়ারমেন্ট। যে এখন ইনক্লুয়েশন হলো আস্তে আস্তে এমপাওয়ারমেন্ট হবে। দেয়ার ইজ এ স্লো প্রসেস। তবে সেটা হচ্ছে।
ইনকাম ট্যাক্স খুব বেশি, এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এবার ইউ আর ট্রাইং টু শর্ট অব রেশনালাইজ দি ইনকাম ট্যাক্স রেট। লোকাল বডি অনেক পয়সা নেয়। যেটা তাদের রেগুলারলি নেয়া দরকার। কিন্তু এর বাইরে নানা ধরনের লিভিং নানা ধরনের গোষ্ঠী করে। ইয়েস করে। কিন্তু আমার মনে হয়, সেটা অনেক কমেছে। অনেক গোষ্ঠী এখন নন এগজিজটেন্স এবং নন এগজিজটেন্সের কারণ হলো তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এরা সব কিছু হলেই কিছু থ্রেট দিতো। সে কারণে আমরা তাদেরকে জঙ্গিবাদী বলে মনে করি। জঙ্গিবাদকে নির্মূল করার জন্য আমার মনে হয়, পৃথিবীর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কার্যকরী সরকার সেটা হলো বাংলাদেশ সরকার। নো আদার কানট্রি ক্যান একুয়েল দিস শর্ট অব স্টেপস দিস গভর্নমেন্ট টেইকস এগেইনেস্ট দেম।অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক লোক বিদেশ থেকে আসছে। তারা কাজ করছে। বেশ ভাল পরিবেশ এখন তৈরি হচ্ছে। আমাদের লোকেরাই আসছে। বহু লোক আসছে। অনেকেই এখন দেশে ফিরে আসছে। বিনিয়োগ করছে। এর কারণ হলো ২০১৫ সালের পর বাংলাদেশ থেকে হরতাল বিদয় নিয়েছে। জ্বালাও-পোড়াও বিদায় নিয়েছে। মানুষের আস্থাতে সময় লাগবে। এখন আমি স্পষ্টত দেখতে পাচ্ছি, এই বছরে ২০১৮ অর্থাৎ ২০১৭-১৮ দেয়ার ইজ এ বেটার ফ্লো অব প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট। ইনভেস্টমেন্ট রেশিও বাড়ছে। সেই কারণে বাংলাদেশ ডাইরেক্ট ফরেন ইনভেস্টমেন্টও বাড়ছে। খেজুরের ওপর ট্যাক্স নেই। তবে কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে খেজুর আনলে তাকে দুই শ পারসেন্ট ট্যাক্স দিতে হয়- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এনবিআর সুড নোটেড। এটা দেখতে হবে। কেন এমন হয়। কারণ খেজুরে ট্যাক্স নেই। কেউ ব্যবসায়ী নিয়ে আসলে এক পয়সাও দেয় না। আর কেউ ব্যক্তিগতভাবে আনলে দিতে হবে। এটা দেখতে হবে। ইউ সুড লুক এট ইট।যানজট এড়াতে স্কুলবাসের ব্যবস্থা করা যায় কিনা এমন আলোচনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, দিস ইয়ার আই এম গোয়িং টু প্রভাইড স্কুল বাস টু হ্যাব স্কুল বাস।
টোবাকো ট্যাক্সেশন উইল বি ডিফরেন্ট দিস ইয়ার। আমরা চিন্তা করছি, এখনো ফাইনালাইজ হয়নি। লাইক আদার কান্ট্রি ইউ সুড হ্যাব। এটা নিয়ে অতিসত্ত্বর আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হবে। সেখানে আমাদের ডমেস্টিক ইনভেস্টররা থাকবে।জেলা বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, আমি যে উদ্দেশ্যে জেলা বাজেট প্রচলন করেছি। সেটা সফল হয়েছে। এখন এটা ফরমালিটিজ। আমার মনে হয়, নেক্সট গভর্নমেন্ট যদি আওয়ামী লীগ হয়, আমার ধারণা, এখন যে হাওয়া বইছে নেক্সট ইলেকশনে আওয়ামী লীগ শতভাগ জয়ী হবে। আমরা সবটেনশিয়াললি উন্নয়ন করব। দেয়ার ইজ ইনরমাস পসিবিলিটি।পৃথিবীতে ৬০টি দেশ আছে যেগুলো লেজার দেন আওয়ার ডিস্ট্রিক্ট। হু হ্যাব স্মলার সাইজেজ দেন আওয়ার ডিস্ট্রিকস। আমাদের ডিস্ট্রিকস গভর্নমেণ্টের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়ানো উচিত। সামাজিক নিরাপত্তা, এখানে সেন্ট্রাল গভমেন্টের কিছুই করার নেই, বাট ফরমুলেশন ফলিসিস। শিক্ষা সেইম থিংক। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট গেভ ব্রড এডুকেশন ফরমুলেশন। আর ডিস্ট্রিক গভমেন্ট ইজ ডান। এটার ইক্সপেরিয়েন্সও যথেস্ট আছে

সাইফুল //এসএমএইচ// ১০ই মে, ২০১৮ ইং ২৭শে বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Check Also

বিপদ জয় করে বিজয়ের দেশে ফিরে আসা

জার্নাল ডেস্ক : জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জাহাজ ‘বিজয়’  সাক্ষাৎ বিপদ …

‘টাকা দিয়ে বিপদ কিনেছি’

জার্নাল ডেস্ক ‘টাকা দিয়ে বিপদ কিনেছি ‘।    এভাবেই নিজের হতাশার কথা  জানিয়েছেন বসনিয়ায় আটকে …