কলাপাড়ায় খেঁয়াঘাটের যাত্রী ছাউনিগুলোর দশা চরম বেহাল

জাহিদ রিপন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিভিন্ন খেয়াঘাটের যাত্রী ছাউনিগুলো সম্পুর্ণভাবে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে খেঁয়া পারাপারে অপেক্ষমান যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় ১৫ বছর পূর্বে নির্মিত এসব যাত্রী ছাউনির রক্ষাবেক্ষনসহ মেরামতের উদ্যোগ না থাকায় চুরি হয়ে গেছে এর অধিকাংশ মালামাল। সরজমিনে দেখা যায়, যাত্রীদের রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষায় অপেক্ষার জন্য বালিয়াতলী খেঁয়াঘাটের যাত্রী ছাউনিটি করা হয় অন্তত ১৫ বছর আগে। এখন নিদর্শন হিসেবে কয়টি খুঁটি পড়ে আছে। বেড়া-চাল কোথায় তা কেউ জানে না। এমনকি পিলার পর্যন্ত নিয়ে গেছে একটি প্রভাবশালী মহল। একই দশা চাকামইয়ার আনিপাড়া খেঁয়াঘাটের যাত্রী ছাউনির। লোন্দা খেঁয়াঘাটের টিয়াখালীর অংশেরটি আছে কোনমতে। অপরপার ধানখালীর লোন্দা ঘাটেরটি এখনও মানুষ ব্যবহার করছে। কিছুটা ভাল আছে। পটুয়াখালীর জেলা পরিষদ, কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ কিংবা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর কে এ ছাউনিগুলো করেছে তা কেউ নিশ্চিত করতে পারছেন না।
ভাড়াটে মোটর সাইকেল চালকরা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে এ যাত্রী ছাউনিগুলো সরকারিভাবে করা হয়েছে। গুরুত্বপুর্ণ খেঁয়াঘাটগুলোতে এ যাত্রী ছাত্রী ছাউনিগুলো করা হয়। তখন খেয়া পারাপারের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রীরা রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে ছাউনির বেঞ্চিতে বসতে পারত। কিন্তু কোন ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ না করায় এ সকল যাত্রী ছাউনির টিন-বেড়া, চালের আয়রণ স্ট্রাকচার এক শ্রেণির চোর নিয়ে গেছে। এখন খুটিগুলো কালের স্বাক্ষী হিসেবে পড়ে আছে। অন্তত দশটি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছিল বলে স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে।
এলজিইডির কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, কারা এ যাত্রী ছাউনি করেছে তার জানা নেই। তার ধারনা এগুলো জেলা পরিষদ করতে পারে। তবে যাত্রীসহ সাধারণ মানুষের দাবি এ যাত্রী ছাউনিগুলো মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করা হোক।

সাইফুল//এসএমএইচ// ২৭শে মে, ২০১৮ ইং ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Check Also

বিপদ জয় করে বিজয়ের দেশে ফিরে আসা

জার্নাল ডেস্ক : জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জাহাজ ‘বিজয়’  সাক্ষাৎ বিপদ …

‘টাকা দিয়ে বিপদ কিনেছি’

জার্নাল ডেস্ক ‘টাকা দিয়ে বিপদ কিনেছি ‘।    এভাবেই নিজের হতাশার কথা  জানিয়েছেন বসনিয়ায় আটকে …