চালের বাজারের দাম নিয়ে গড়িমসি

0

স্টাফ রিপোর্টার

করোনার ব্যস্ত সময়ে চালের বাজারকে ও ব্যস্ত করেছে। দফায় দফায় বাড়ছে দাম। অাগের এবং পরের দিনের মধ্যে থাকচ্ছে সংখ্যাগত পার্থ্যক।

পাইকারি বাজার চাক্তাই ও পাহাড়তলীতে মিনিকেট চালের বস্তা থেকে শুরু করে জিরাশাইল ও পাইজাম চালের দাম বস্তাপ্রতি ১০-২০ টাকা বেড়েছে। এছাড়া আতপ চাল ২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে দাড়িয়েছে  ২১শ টাকা, বেতি-২৯ এর দাম হাতের নাগালের বাইরে ১৯শ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার টাকা, নুরজাহান সিদ্ধ চাল ১৮শ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এই দাম বৃদ্ধির বিষয়ে চট্টগ্রাম রাইস মিল মালিক সমিতির সভাপতি শান্ত দাশগুপ্ত জানান, ঈদের পর থেকে চালের দাম বেড়েছে। নতুন চাল এলে দাম কিছুটা কমতে পারে অাশা করছেন তারা।

এদিকে সন্ধ্যার পর বাজার বসানোয় নিষেধাজ্ঞা  এখনও বিরাজমান। তাই চট্টগ্রামের বাজারে বেড়েছে সব ধরনের মাছের দামও। অাজ (শুক্রবার ) বাজারে প্রতি কেজি লইট্যা মাছ ১১০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৫০০ টাকা, মাঝারি চিংড়ি ৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, কাতাল ৩০০ টাকা, রুই ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১৩০ টাকা, পাবদা ২০০ টাকা, ছোট ইলিশ ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে এক্ষেত্রে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাংস ও সবজির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বাঁধাকপি প্রতিকেজি ২৫ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, বেগুন ৩৫ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, ছোট কচু ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, গাজর ২৫ টাকা, শসা ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তাছাড়াও প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি ১৩০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২০০ টাকা, প্রতিকেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকা ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা দরে।

তাই এই বিষয়ে সাধারণত জনগোষ্ঠীর দাবী, যদি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং এর বিষয়টা মাথায় রাখে তাহলে কিছুটা উপকৃত হবে তারা।

Share.

About Author

Comments are closed.