ছাত্রীদের নগ্ন সেলফি চাইতেন শিক্ষক ফেরদৌস

0

বিডিজার্নাল প্রতিনিধি :

ছাত্রীদের যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফেরদৌস। শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম কাজী কামরুল ইসলামের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ফেরদৌস জানান, ছাত্রীদের ফুসলিয়ে নিজের শ্বশুরের দেওয়া ফ্ল্যাটে নিতেন। তাদের খালি গায়ে (নগ্ন) সেলফি চাইতেন। এরপর তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়তেন। উভয়ের সম্মতিতেই এটা হতো।

রবিবার আদালত ও পুলিশের সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ফেরদৌস বলেন, প্রথমে ছাত্রীদের শর্ত প্রদান করতাম। আমি তোমাদের পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেব এবং ভালো নম্বর দিয়ে দেব। এর বিনিময়ে আমি যা চাইবো তা দিতে হবে। এতে ছাত্রীরা রাজি হলে তাদেরকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যেতাম। ফ্ল্যাটে নেওয়ার পর তাদের সঙ্গে গল্প করতাম এবং তাদের খালি গায়ে (নগ্ন) সেলফি চাইতাম। বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করতাম। কোনো কোনো ছাত্রী আমার আচরণ বুঝতে পেরে চলে যেতো। আর যাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠতো তা উভয়ের সম্মতিতেই হতো। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মেয়েই প্রাপ্তবয়স্ক।

১৫ পৃষ্ঠার জবানবন্দিতে চার ছাত্রীকে যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করেন মোহাম্মদ মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌস।

ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ আল সায়েম গত মঙ্গলবার রাতে কলাবাগান থানায় মামলা করেন। এরপর গভীর রাতে কলাবাগানের বাসা থেকে ফেরদৌসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে শনিবার আদালতে তোলা হলে নিজের অপকর্মের কথা স্বীকার করেন আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের (ইইই) শিক্ষক ফেরদৌস।

বিডিজার্নাল৩৬৫ডটকম// আরডি/ এসএমএইচ // ৮ মে ২০১৬

Share.

About Author

Comments are closed.