টানা বৃষ্টিতে ঊর্ধ্বমুখী সবজির বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নগরীতে টানা বৃষ্টিতে ঊর্ধ্বমুখী সবজির বাজার।
বৃষ্টির কারণে শাকসহ পচনশীল সবজির সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম বেড়েছে। বৃষ্টির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে প্রতিটি সবজির দাম আরো বেড়ে যাবে। অন্যদিকে, আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ-মাংস, চাল, ডাল, তেল। অপরিবর্তিত আছে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজার। মজ্ঞলবার (১৮ আগস্ট ) নগরীর বিভিন্ন কাঁচা বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

এসব বাজারে কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে বরবটি ১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা,টমেটো ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা,বেগুন ৬০-১০০ টাকা, গাজর বিক্রি ৪০-৫০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, কচুর লতি ৬০-৮০ টাকা, বড় কচু ৫০ টাকা, বিট ৩০-৪০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, সিমের বিচি ১০০-১২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি আটি (মোড়া) কচু শাক ১০ টাকা, লাল শাক ১০-১৫ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, লাউ ও কুমড়া শাক ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, জালি ৫০ টাকা।

আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ, মাংসের দাম। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫৮০ টাকা, মহিশের মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত আছে মুরগি ও ডিমের বাজার। এসব বাজারে প্রতিকেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা, সোনালি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। লাল ডিম প্রতি ডজন ৯০-৯৫ টাকা, দেশি ১৬০ টাকা, সোনালী ১৪০, হাঁস ১৩০-১৪০, কোয়েল প্রতি ১০০ পিস ২০০-২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন মাছ। বর্তমানে প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৫০ থেকে ১১০০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ টাকা, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া প্রতিকেজি কাচকি ৩৫০ টাকা কেজি, মলা ৩৫০টাকা, ছোট পুটি (তাজা) ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪৫০-৬৫০ টাকা, বাগদা ৪৫০-৯০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩০০ থেজে ৪৫০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙাস ১৩০-১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৮০ টাকা, কৈ ১৮০-২০০ টাকা, কাতল ২২০-৩০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম কমেছে পেঁয়াজ ও রসুনের। এসব বাজারে কেজিপ্রতি ১০-৩০ টাকা পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম। প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজিদরে। এক সপ্তাহ আগে এসব পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিলো ৭০-৮০ টাকা কেজিদরে। এছাড়া দাম কমে প্রতিকেজি চায়না মোটা পেঁয়াজ ৬০, রসুন দেশি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চায়না ১৪০-১৫০, তিন কোয়া রসুন ১৮০০, আদা ১৩০-১৪০ টাকা কেজিদরে।

দর বৃদ্ধি নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতার মাঝে রয়েছে ভিন্নমত। বিক্রেতারা বলছেন পণ্যের সরবরাহ কম হলে দাম বেড়ে যায়।

ইমরান নামে এক সবজি ক্রেতা বলেন, এখন অনেক সবজির সিজন না হওয়ায় দাম বেড়েছে তাই খুচরা বাজারে এর প্রভাব রয়েছে।

তানিশা নামে এ বাজারের এক ক্রেতা বলেন, টানা বৃষ্টিতে বিক্রেতারা এখন সব কিছুর দাম বাড়তি রাখছেন। আগের সপ্তাহে মাংসের দাম বাড়লো সেসব দামেই বিক্রি হচ্ছে মাংস। এখন সবজির বাড়তি দাম। বাজার মনিটরিং করা না হলে এমনটাই হওয়া স্বাভাবিক।

বিডিজি ৩৬৫/ এনআর

Check Also

সময় বাড়লো হজ নিবন্ধনের

জার্নাল ডেস্ক :  সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে আগামী ২২ মে পর্যন্ত। …

দরিদ্র দেশগুলো খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়তে পারে: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বে খাদ্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে, ক্রমবর্ধমান দামের …