সড়ক অবরোধ ‘রিকশাওয়ালাদের ঈদের দিন’

0

নিজস্ব প্রতিবেদক

বকেয়া বেতনের দাবিতে রোববার সকাল থেকেই মিরপর ১ থেকে মিরপুর ১০ পর্যন্ত প্রধান সড়ক ও গলি রাস্তা অবরোধ করো রেখেছে পোশাক শ্রমিকরা। যার ফলে উক্ত এলাকার সড়কে চলছে না কোনো যানবাহন। গাড়ি না চলায় সকাল থেকেই ভোগান্তিতে পড়েছে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।

এদিকে সাধারণ মানুষদের এ ভোগান্তির ফায়দা নিচ্ছে রিকশাওয়ালারা। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দিগুণের বেশি ভাড়া হাঁকছে তারা। ভাড়ার দরকষাকষিতে কেউ কেউ ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ছে।

জানতে চাইলে মিরপুর রোডের রিশকাওয়ালা আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। টাহা তো সবসময় বেশি নেই না। এখন গাড়ি কম আছে রোডে, যার কারণে কেউ কেউ বেশি চাচ্ছে।

অবরোধের ফায়দা নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে আশরাফ বলেন, অবরোধ হলে ঈদ ঈদ মনে হয়। টাকা বেশি কামাইতে পারি। দশ জনের দশ বাপ, সবাই তো চাই একটু বেশি ইনকাম। তবে সবসময় আমরা এ রকম করি না। আর আমরা গতরে খেটে আয় করি, কডা বেশি দিলেও তো সমস্যা নাই।

পোশাক কর্মী রাবেয়ার কাছে প্রশ্ন ছিলো, অবরোধে মোটরসাইকেলসহ সব পরিবহন বন্ধ থাকলেও রিকশা কেনো চলছে- বলেন, আমরাও ছোট আয়ের মানুষ, ওরাও। গরীব গরীবের দুঃখ বুঝি। ওদের চলতে না দিলো পেটে লাথি পড়বে। তাই ওদের বাধা দিচ্ছি না।

অন্যদিকে জাবেদ আক্তার নামে এক চাকরিজীবি দাবি করেন, রিশকাওয়ালাদের উচ্চ ভাড়া হাঁকার কর্মকাণ্ড নিত্তনৈমিত্তিক। ওরা সুযোগ পেলেই দিগুণ ভাড়া চেয়ে বসে আর সড়কে অবরোধ থাকলে তো কথায় নেই। ওরা আমাদের অসহায়ত্তের ফায়দা নেয়। পুলিশ প্রসাশনের উচিত এদের ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া।

মিরপুরের সড়কে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়ক অবরোধে বাড়ছে পোশাক শ্রমিকদের সংখ্যা। তপ্ত রোদে নাকাল হয়ে পড়েছে মিরপুরবাসী। কারখানার মালিকদের গাফিলতিতে এরকম বিড়ম্বনা কারো কাম্য নয়।

সাব্বির=১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ৩১শে ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share.

About Author

Comments are closed.