২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৯, শনাক্ত ৩৯৪৬

0
জার্নাল ডেস্ক :

করোনাভাইরাসে দেশে নুতন করে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৯৪৬ জন। বৃহস্পতিবার করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

দেশে ৬৬টি পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্তে ১৭ হাজার ৫৮৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আগের কিছু নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৯৯৯টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৩টিতে। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৯৪৬ জনের মধ্যে। এ নিয়ে সর্বমোট এক লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জন শনাক্ত হলেন। এসময় মারা গেছেন ৩৯ জন। এ নিয়ে এক হাজার ৬২১ জনের মৃত্যু হলো। এছাড়া নতুন করে আরো এক হাজার ৮২৯ জন করোনারোগী সুস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন।

মৃত ৩৯ জনের মধ্যে ৩২ পুরুষ এবং ৭ জন নারী। তাদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের দুজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের সাতজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের সাতজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের বয়সসীমার একজন রয়েছেন।

এদের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১০ জন করে, খুলনা ও রাজশাহীতে পাঁচজন করে, রংপুরে চারজন, ময়মনসিংহে তিনজন এবং বরিশাল বিভাগে দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৮ জন এবং বাসায় থেকে মারা গেছেন ১১ জন।

বরাবরের মতোই বুলেটিনে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

প্রসঙ্গত, চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত চার মাসে বিশ্বের ২১৫টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

Share.

About Author

Comments are closed.