‘নির্বাচন হবেই, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলার শক্তি আওয়ামী লীগের আছে’

0

নিজস্ব প্রতিবেদক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে কোনো ষড়যন্ত্র হলেও সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে নির্বাচন অবশ্যই হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলার ক্ষমতা আওয়ামী লীগের ও সরকারের আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সৌদি আরব সফর বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার বিকাল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক সৌদি আরব সফরের বিস্তারিত কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যুতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেবেন।

গত শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এক সমাবেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় জানিয়েছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেছিলেন, ‘আর কয়েক মাস পরই নির্বাচন। এ নির্বাচন আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, এ নিয়ে আমি প্রবল আশঙ্কায় আছি। আমরা যেকোনো মূল্যে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই।’ তারই কথার সূত্র ধরে আজকে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শাবান মাহমুদ।

প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তারা তাদের মতো প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচন আয়োজন করবে। এখানে সরকার কোনো বিষয় নয়। ইসি স্বাধীন এবং তারা স্বাধীনভাবেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, একটা কথা বলতে চাই, বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হোক, এটা আমরাও চাই। এবং সুষ্ঠুভাবেই নির্বাচন হবে, ইনশাল্লাহ। নির্বাচন নিয়ে যারা সংশয় সৃষ্টি করতে চাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যটা কী? গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা যাতে না থাকে, ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের একটা চিরাচরিত বিষয়। প্রতিনিয়তই ষড়যন্ত্র হচ্ছে, ষড়যন্ত্র থাকবে, ষড়যন্ত্র চলবেই। এর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে আর্থসামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্র তো কম হয়নি। এর মধ্যেও এগিয়ে যেতে পারছি, তার কারণ একটাই— জনগণই শক্তি। আমরা জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করি। আমার ওপর জনগণের আস্থা, বিশ্বাস আছে বলে মনে করি। সেই বিশ্বাস থেকেই বলতে পারি, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।

নির্বাচন ঘিরে ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আশা করি, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই নির্বাচন করতে সক্ষম হব। ইসি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা নির্বাচনের ঘোষণা দেবে এবং সেই ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচন হবে এবং অবশ্যই হবে। এটাই আমি বিশ্বাস করি। আমি জানি না আপনাদের কী মত। কিন্তু যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার শক্তি আওয়ামী লীগের আছে এবং সরকারও সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলার শক্তি রাখে।

ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল পড়তে গিয়ে ইংরেজদের খাবার খাওয়া শিখলেও ইংরেজদের ভদ্রতা শিখতে পারেননি বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সেই আমলে ব্যারিস্টারি পড়তে যাওয়া কম কথা না। কিন্তু তিনি গিয়ে শিখলেন ইংরেজদের খাবার খাওয়ার কায়দা। ইংরেজ খাবার ছাড়া তিনি খেতে পারতেন না। তার অবস্থাটা কাকের ময়ূরপুচ্ছ পরে ময়ূর হওয়ার মতো। তিনি ইংরেজ খাওয়াটা শিখলেন; কিন্তু তাদের ভদ্রতাটা শিখেননি, অ্যাটিকেট শিখেননি, কথা বলা শিখেননি। এটাই হলো বাস্তবতা, এই হলো সেই লোক।

গত ১৬ অক্টোবর বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের টক শো’তে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ আখ্যা দেন ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। এ প্রসঙ্গে একজন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন নারী সাংবাদিককে তিনি যে ভাষায় আক্রমণ করেছেন তা অত্যন্ত জঘন্য, বাজে। তার বাচনিক ভঙ্গি, অ্যাটিচিউড— সবই খারাপ। তার কাছে কী আশা করব? ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তো পাকিস্তানের দালালি করেছেন। ইত্তেফাকের সাংবাদিক সিরাজউদ্দিন চৌধুরীকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল রাজাকাররা। এর জন্যও তিনি কম দায়ী নন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর খুনি মোশতাক যে দল করেছিল, সেই দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ব্যারিস্টার মঈনুলের। উনি কিন্তু পরে একটা দলও করেছিলেন। জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনি যারা, তাদের নিয়ে তিনি দল করেছিলেন। ইত্তেফাকেও তো মার্ডার করে ভাইকে (বর্তমান পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু) ফাঁসানোর চেষ্টা করেছেন। তাদের যে জমি, সেটা নিয়েও ঝামেলা রয়েছে। তাদের জমি নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের সঙ্গে মামলা আছে। আপনারা সাংবাদিকরা খুঁজে বের করে দেখেন। তার আসলে গুণের শেষ নেই।

ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেনের বাবা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সুসম্পর্কের সুবাদে মঈনুল হোসেনের জীবনের অনেক তথ্যই জানেন বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, উনি সেই আমলে ইংল্যান্ড গিয়েছিলেন ব্যারিস্টারি পড়তে। এইটা তো কম কথা না। তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, উনাকে আমরা মানিক কাকা বলে ডাকতাম। তো কাকা তাকে ব্যারিস্টারি পড়তে পাঠালেন। তিনি ব্যারিস্টারি পাস করে সাহেব হয়ে ফিরলেন। তিনি আর বাংলাদেশি খাবার খেতে পারেন না, তার সাহেবি খাবার দরকার।

শেখ হাসিনা বলেন, মানিক কাকা মায়ের কাছে এসে আফসোস করেন। বলেন, ছেলে তো ইংরেজ খাবার ছাড়া কিছু খায় না। তো তার জন্য তখন আলাদা বাবুর্চি রাখতে হলো। সেই যুগে মানিক কাকা ছেলের জন্য ১০০ টাকা দিয়ে বাবুর্চি রাখলেন। ব্যারিস্টারি পড়তে গিয়ে মঈনুল হোসেন ইংরেজ খাওয়াটা শিখলেন; কিন্তু তাদের ভদ্রতাটা শিখেননি, অ্যাটিকেট শিখেননি, কথা বলা শিখেননি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, এসব কথা সবার জানার কথা না। আরো জানি, এখন বলব না, পরে বলব।

শেখ হাসিনা বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্ররা আন্দোলন করল। কিন্তু এই আন্দোলন হওয়ার পরও তো মানুষ সচেতন হয়নি। এখনো গাড়ি চললে ফাঁক-ফুক দিয়ে লোকজন বের হচ্ছে। দেখা গেল ফুটপাত আছে, আন্ডারপাস আছে, ফুটওভার ব্রিজ আছে। কিন্তু দেখা গেল স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে মায়েরা গাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করবো সড়ক দুর্ঘটনার কারণগুলো আমরা খুঁজে বের করুন। ঢাকায় দুই স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় বাসচালকের দোষ ছিল, সেটা স্বীকার করি। বাস তাদের ওপর উঠে যায়। কিন্তু অন্যান্য যে সব দুর্ঘটনা হচ্ছে তারা ফুটপাতে ছিল কি না? রাস্তায় ছিল কি না এগুলো দেখতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে ড্রাইভারদের দোষ দেন। নেতাদের পিটুনি দিলেই কী চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে লোক দৌড় মারা বন্ধ হয়ে যাবে? যারা আন্দোলন করল, তারাই দেখি রাস্তা দিয়ে পার হচ্ছে, চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছে। অথচ কাছেই ফুটওভার ব্রিজ। তারা আর বয়স্ক না, ইয়ং।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, সড়ক আইন পাশ করেছি। সবকিছু করেছি। চাইলেই তো হঠাৎ করে যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। যান্ত্রিক ব্যাপার, থামাতে গেলেও তো সময় লাগে। যারা রাস্তা পার হচ্ছেন তাড়াহুড়ো না করে আমাদের উচিৎ হাতে একটু সময় নিয়ে বের হওয়া। আপনারা এ বিষয়টি তুলে ধরেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জোট বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমাদের দেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা আছে। কথা বলার স্বাধীনতা আছে, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা আছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা আছে। ১৯৭৫ এর পর মানুষ সর্বক্ষেত্রে স্বাধীনতা ভোগ করছে। রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে সেটাকে সাধুবাদ জানাই।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এক হয়েছে। রাজনীতিতে সকলেরই স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার আছে। কারা ঐক্য করেছে (জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা) তা খেয়াল রাখতে হবে। দেখতে হবে কার কী অঙ্গভঙ্গি, কার কী বাচনভঙ্গি সেটা দেখতে হবে। এদের একজন মেয়েদের প্রতি কী ধরনের কটূক্তি করেছে সেটাও দেখেছেন। ঐক্যফ্রন্টে এ গাছের ছাল, ও গাছের বাকল যোগ দিয়েছে। আওয়ামী লীগ এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করছে না। বরং ভালোই হয়েছে সব ধরনের লোক মিলেই একটা জোট হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে স্বাধীনতাবিরোধী, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নরাও রয়েছে। সবাই মিলে এক জায়গায় হয়েছে। বাংলাদেশ মানুষ এটাকে কীভাবে দেখছে সেটাই দেখার বিষয়। তারা রাজনৈতিকভাবে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারলে করুন। এখানে অসুবিধার তো কিছু নেই।

ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের বিষয়ে তিনি বলেন, এদের মধ্যে অনেকে আওয়ামী লীগ ছিল। তারা এখন জোট করেছে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। এখন তো ইমার্জেন্সি নেই, মার্শাল ল নেই। গণতান্ত্রিক ধারায় তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সুতরাং এটাকে সাধুবাদ জানাই। তারা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সফলতা পায় তাহলে অসুবিধা কোথায়।

নির্বাচনকালীন ছোট মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় আগে আমি বিএনপিকে বলেছিলাম আসুন আমরা সব দল নিয়ে একটি বড় মন্ত্রিসভা করি। সেখানে আপনারা আপনাদের পছন্দমত মন্ত্রণালয় নিবেন। সেটা কিন্তু হয়নি। এখন এটা দরকার আছে কি না সেটা দেখা যাবে।

নির্বাচনকালীন সরকারের আকার ছোট করা হলে উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে কাটছাট করলে তো অনেক সমস্যা হতে পারে। আপনারা জানেন অনেকগুলো প্রজেক্ট আছে। দু’তিন মাসের মধ্যে অনেকগুলো কাজ আমাদের করতে হবে। আমি দুই তিন মাসের মধ্যে কাজগুলো শেষ করতে চাই। মন্ত্রিসভা ছোটো করলে সে ক্ষেত্রে কোনো রকম বাধা হবে কি না সে বিষয়টি রয়ে গেছে। আমি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথাও বলেছি।

প্রধানমন্ত্রী তার সৌদি আরব সফর প্রসঙ্গে বলেছেন, এ সফর দু’দেশের সম্পর্কোন্নয়নে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে। সৌদি আরবের বাদশাহ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। এক পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ও দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা রক্ষায় আগামীতে আমাদের সরকারের ধারাবাহিকতার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সৌদি আরবের মহামান্য বাদশাহকে বাংলাদেশ সফরে স্বাগত জানালে তিনি তা সাদরে গ্রহণ করেন। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ ব্যক্ত জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সৌদি আরবে চার দিনের সরকারি সফর শেষে গত শুক্রবার মধ্যরাতে দেশে ফিরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৌদি বাদশাহ এবং দুটি পবিত্র মসজিদের খাদেম সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদের আমন্ত্রণে তিনি এ সফরে গিয়েছিলেন।

সৌদি আরব সফরকালে প্রধানমন্ত্রী রিয়াদে রাজপ্রাসাদে সৌদি বাদশাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তার সম্মানে বাদশাহর দেয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। তিনি সৌদি যুবরাজ, উপপ্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করেন।

কাউন্সিল অব সৌদি চেম্বার এবং রিয়াদ চেম্বার অব কমার্সের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের পর ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যে শিল্প ও বিদ্যুৎখাতে সহযোগিতার ব্যাপারে পাঁচটি সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

রিয়াদে কূটনীতিক পাড়ায় বাংলাদেশ চ্যান্সেরি ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কন্স্যুলেট জেনারেলের চ্যান্সেরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। শেখ হাসিনা মক্কায় ওমরাহ পালন এবং মদিনায় মসজিদ আল নববীতে মহানবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) রওজা জিয়ারত করেন।

সাব্বির// এসএমএইচ//২২শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং ৭ই কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Share.

About Author

Comments are closed.