প্রতিশ্রুতি রাখতে পারলেন না গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী!

0

জার্নাল ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বেতন বৈষম্য দূর করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। অথচ সেই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের চিঠিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে- প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদের বেতন গ্রেড ঠিক আছে। তাই বেতন গ্রেড উন্নীত করার সুযোগ নেই।

এদিকে, শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে বেশ কিছু দিন থেকেই প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন। শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বেতন বৈষম্য দূর করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। দাবি আদায়ে প্রধান শিক্ষকরা হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন।

ঢাকার সূত্রাপুরের গেন্ডারিয়া মহিলা সমিতি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজসহ ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে ওই রিট দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। রায়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন উভয় প্রধান শিক্ষকদের প্রবেশ পদে বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডসহ গেজেটেড পদমর্যাদা ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে কার্যকর করতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালতের রায়ের আলোকে এবং শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই বেতন বৈষম্য দূর করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু ৮ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় ওই প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাদিয়া শারমিন স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদের বেতন গ্রেড যথাযথ ও সঠিক থাকায় প্রধান শিক্ষক পদের বেতন ১০ম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষক পদের বেতন ১২ তে উন্নীত করার সুযোগ নেই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন জানান, ‘চিঠি এখনও হাতে পাইনি।’

সাব্বির=১১ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ২৭শে ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Share.

About Author

Comments are closed.