সম্রাট গ্রেপ্তারে ক্ষুব্ধ কারা?

0

জার্নাল ডেস্ক

ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সদ্য বহিস্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে আটক করা হয়। এ সময় তার অন্যতম সহযোগী আরমানকেও আটক করা হয়।

সম্রাটকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর যুবলীগের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। ক্ষুব্ধরা বলছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সম্রাট দলের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ, যেসব ‘সুশীলরা’ তার বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তারা দলের দুঃসময়ে কোনো কাজে আসেন না।

সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর তার কাকরাইল অফিসে টানা পাঁচ ঘণ্টার অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযান শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে যখন সম্রাটকে বের করা হয়। তখন ওই যুবলীগকর্মীরা স্লোগান দিতে থাকে তাদের নেতার পক্ষে। তা দেখে শুরুতে হকচকিয়ে যাওয়া পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা তৎপর হয় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে।

প্রায় শতাধিক কর্মী স্লোগান দিতে থাকে ‘সম্রাট ভাই ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’। পুলিশ তখন রমনা থানার সামনের সড়ক দিয়ে দক্ষিণ দিকে হটিয়ে দেয় তাদের। তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে যুবলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আজ দল ক্ষমতায় আছে। এখন যদি রাজপথে বিরোধীরা কোনো সহিংসতায় মেতে উঠে, প্রশাসন দিয়ে হয়ত তা মোকাবেলা করা যাবে। কিন্তু ক্ষমতা যদি একবার ফসকে যায়, তখন অনুধাবন হবে সম্রাটের মতো ফাইটাদের দলের কতটুকু প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সুশীল দিয়ে রাজনীতি হয় না, রাজনীতি করতে সম্রাট ভাইদের মতো মেগা ফাইটারদের লাগে। মানুষটার জন্য খারাপ লাগে যে এই দলটার জন্য এত শ্রম দিল, তাকেই আজ ছুড়ে ফেলে দিল!

সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরীর ভাষ্যে, তার স্বামী দলের পেছনেই সব অর্থ খরচ করতেন বলে তার চেয়ে জনপ্রিয় কেউ ছিল না, তবে জুয়ার অভ্যাস ছিল। ওর সম্পদ বলতে কিছুই নাই। ও ক্যাসিনো চালায়া যা ইনকাম করে, তা দলের জন্য খরচ করে। দল চালায়। আর যা থাকে তা দিয়ে সিঙ্গাপুরে বা এখানে জুয়া খেলে।

সোমবার, ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ২২ আশ্বিন ১৪২৬

Share.

About Author

Comments are closed.