ইলিশ ধরার অপরাধে ১৪ জেলের কারাদণ্ড

0

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে জেলার বিভিন্ন এলাকার ১৪ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ এবং ২০০ কেজি মাছ উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে। পরে ওই মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে দিনভর সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও চৌহালী উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

জেলা সদরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭ জেলেকে কারাদণ্ড ও ৬০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৫০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছয়জনকে ১৪ দিন করে এবং একজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা ক্যারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস এবং মাছগুলো স্থানীয় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে বেলকুচি উপজেলা মৎস্য অফিস পরিচালিত অভিযানে দৌলতপুর ইউনিয়নের বওড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আবুল কালামের বাড়ি থেকে দুই মন মা ইলিশ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ইলিশ বেলকুচি উপজেলার ৬টি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। কালামের নামে ভ্রাম্যমান আদালতে মামলা হয়েছে।

অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আফসানা ইয়াসমিন ও মৎস্য কর্মকর্তা আইয়ুব আলী ও মৎস্য অফিসের কর্মচারীবৃন্দ।

একই সাথে জেলার চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীতে মৎস্য অফিসের অভিযানে ৫৫ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ ৭০ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করেছে প্রশাসন। এ সকল মাছ দুটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ছয়জন জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান মওদুদ আহমেদ। এসময় চৌহালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আতোয়ার আজিম, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, নৌ পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) বাবুর আলিসহ চৌহালী পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

Share.

About Author

Comments are closed.