‘পাহাড়ে চাঁদাবাজদের ঠাঁই হবে না’

0

রাঙামাটি প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন সন্ত্রাসীর আস্তানা গড়তে দেওয়া হবে না। বাংলাদেশে কোন সন্ত্রাসী কোন জঙ্গিদের থাকতে দেওয়া হবে না। পার্বত্য চট্টগ্রামেও কোন খুন, সন্ত্রাস, জঙ্গি, চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না।

বুধবার সন্ধ্যায় রাঙামাটি প্রশাসক কার্যালয়ে তিন পাবর্ত্য জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সভায় এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন, পাহাড়ে হঠাৎ করে রক্তপাত শুরু হয়েছে। নির্বিঘ্নে নির্বিচারে কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে খুন করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের খুন করা হয়েছে। এর কারণে পাহাড়ে শান্তি বিনষ্ট হতে যাচ্ছিল। এ রক্তাপাত বন্ধ করতে সরকার বদ্ধ পরিকর।

তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাঁদাবাজ দমন, মাদক নির্মুল করতে ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত এলাকায় সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা হবে। এতে করে নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত সীমান্ত এলাকায় যেতে পারবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য জলযান, সড়কযান, আকাশযান দেওয়া হবে। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যা যা করনীয় তা করা হবে।

শান্তি চুক্তি অনুযায়ী সরকার এখনো চুক্তিকে সম্মান করে যাচ্ছে। আমরা শান্তি চুক্তিকে অনুসরণ করে পাহাড়ে শান্তি নিয়ে আসব। যেখান থেকে সেনা বাহিনী প্রত্যাহার করা হয়েছে সেখানে পুলিশ বা বিজিবি মোতায়ন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ে যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করছে তারা যদি ভুল বুঝে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায় তাহলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা তার নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার, পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, ডিজিএফআই মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদিন, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাফিন আহমেদ, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহুল ইসলাম, পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুদত্ত চাকমা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান, চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান, বিজিবি’র চট্টগ্রাম রেঞ্জের রিজিয়ন কমান্ডার আমিনুর রহমান শিকদার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমাসহ তিন পার্বত্য জেলার রিজিয়ন কমান্ডার, তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক, তিন পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার, তিন পার্বত্য জেলার বিজিবি অধিনায়ক, তিন পার্বত্য জেলার ডিজিএফআই অধিনায়ক।

সন্ধ্যা ৬ টা থেকে শুরু হওয়া বৈঠক শেষ হয় রাত ১০ টায়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬

Share.

About Author

Comments are closed.