চবিতে নেই কোন দিকনির্দেশনা চিহ্ন, ফ্যাকাল্টি খুঁজে পেতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

0

শাওন আজহার, চট্টগ্রাম :

সুস্পষ্ট কোন দিক নির্দেশনা চিহ্ন না থাকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের পরীক্ষার নির্দিষ্ট কেন্দ্র খুঁজে নিতে বেগ পেতে হচ্ছে। এতে অনেক পরীক্ষার্থীই নির্দিষ্ট সময়ের পরে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করছেন। ফলে পিছিয়ে পড়ছেন অন্য পরীক্ষার্থীদের তুলনায়।
এ বিষয়ে অভিযোগ করে লালমনিরহাট থেকে মেয়েকে নিয়ে চবিতে আসা অভিভাবক আব্দুল বারি বলেন, মেয়েকে নিয়ে অনেক দূর থেকে এসেছি চবিতে পরীক্ষা দেওয়ানোর উদ্দেশ্যে। এসে দেখি এত বিশাল ক্যাম্পাস, পরীক্ষার হল খুঁজে পেতে সময় লেগেছে ২ ঘন্টা। ডিজিটাল বাংলাদেশের এত বড় ক্যাম্পাসে নেই কোন ডিজিটাল দিক নির্দেশক। তাই এ ভোগান্তি পেতে হয়েছে। আমার মেয়ের পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে।
সিলেট থেকে আসা মো. রহিম কাজী নামের একজন অভিভাবক বলেন, আমার পা ব্যাথা করছে। কারণ ছেলের পরীক্ষা কেন্দ্র খুঁজতে খুঁজতে আমার অবস্থা খারাপ। কোন নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আর পথের চিহ্ন না থাকায় কারও থেকে জানতে চাইলে তারা সঠিক তথ্য দিতে পারছেনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, এ ধরণের সমস্যায় বিশেষ করে তারাই পড়ছে যাদের পরীক্ষা কেন্দ্র ভার্সিটির ২ নং গেটের কাছাকাছি কেন্দ্রগুলোতে পড়েছে।
চবি প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের বিএনসিসির সদস্যবৃন্দ এবং রোভার স্কাউটের সদস্যরা দিকনির্দেশনা দিতে সহায়তা করছে। তাছাড়া ছাত্রলীগের ৬টি সেবা কার্যক্রম চালু আছে। যে কার্যক্রমগুলোর একটি ষোলশহর স্টেশনে রয়েছে। তাছাড়া ক্যাম্পাসে দিকনির্দেশনার ম্যাপ আছে। তবে অনেকের অভিযোগ ম্যাপটি ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের এবং তাদের অভিভাবকদের জন্য যথার্থ নয়। মাত্র ১০ জন বিএনসিসি সদস্য এবং ৫ জন রোভার স্কাউটের কর্মী দ্বারা পরিচালনা করা হচ্ছে দিকনির্দেশনার বিষয়টি।
চবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রণব মিত্র চৌধুরী ডিজিটাল চিহ্ন বা দিকনির্দেশনার বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, সাংকেতিক চিহ্নগুলো না দিলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে একটি ব্যানার দেওয়া আছে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানচিত্র রয়েছে। পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসসহ বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করছে। আশাকরি এর জন্য শিক্ষার্থীদের খুব বেশি বেগ পোহাতে হবে না।

বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ১৫ কার্তিক ১৪২৬

Share.

About Author

Comments are closed.