দুপুর ২টার মধ্যে উপকূলবাসীকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পরামর্শ

0

জার্নাল প্রতিবেদক :

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া আবহাওয়ার এক বিশেষ বুলেটিনে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় উপকূলীয় এলাকার মানুষকে দুপুর ২টার মধ্যে নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্র নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

আজ শনিবার (৯ নভেম্বর) সচিবালয় ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সমন্বয় কমিটির সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল এ তথ্য জানান।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমানের  সভায় সভাপতিত্ব করেন।আজ শনিবার সকালে সবশেষ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এরই মধ্যে গতিবেগ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর। ঘূর্ণিঝড়ের এখন ১৩০ কিলোমিটারে গিয়ে ঠেকেছে। দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে এটি ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পাঁচ থেকে সাত ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বুলবুল আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর, উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এটি আজ শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ সুন্দরবনের কাছ দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

আজ সকাল সাড়ে ১০টায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ শনিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৯০ কিলোমিটার পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

বিডি জার্নাল/এসএ

Share.

About Author

Comments are closed.