নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ

0

জার্নাল প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলম সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ভারতগামী শ্রমিককে ল্যান্ডিং পাস প্রদান, সব নৌযান শ্রমিককে মাসে ৪ হাজার টাকা খাদ্য ভাতা, সমুদ্র ও রাত্রিকালীন ভাতা নির্ধারণ, কর্মস্থলে ও দুর্ঘটনায় মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ, মালিক কর্তৃক নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বুক প্রদান, নদীর নাব্যতা রক্ষা ও প্রয়োজনীয় মার্কা, বয়া ও বাতি স্থাপন, বাল্কহেডসহ সব নৌযান ও নৌপথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ করা, ২০১৬ সালের গেজেট অনুযায়ী কেরানি, কেবিন বয়, ইলেকট্রিশিয়ানসহ সব নৌশ্রমিকদের বেতন প্রদানের দাবিতে আমরা কর্মবিরতি পালন করছি।

এদিকে, নৌযান শ্রমিকদের চলমান ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম থেকে নৌপথে পণ্য পরিবহন ও বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাস কার্যক্রম। লাইটারেজ জাহাজগুলো পণ্য খালাসের জন্য না যাওয়ায় বহির্নোঙ্গরে অলস বসে আছে বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য নিয়ে আসা ৭৮টি মাদার ভ্যাসেল। এছাড়া কর্ণফুলী নদীতে অলস বসে আছে এক হাজারেরও বেশি লাইটারেজ জাহাজ। এতে বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির আশংকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, আমাদের বন্দরের ভেতরে জেটিতে কাজ স্বাভাবিক আছে। ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার খালাস হচ্ছে। জাহাজে কনটেইনার ওঠানামা স্বাভাবিক আছে। তবে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, আউটারে কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। খালাস রতা বন্ধ করে দিয়েছে, পণ্য নিয়ে লাইটারেজগুলোও কোথাও যাচ্ছে না।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ১১ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডাকে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন। এরপর থেকে সারাদেশে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকারী নৌ-পরিবহন চলাচল বন্ধ আছে।

এর আগে, একই দাবিতে গত ২৬ নভেম্বর ধর্মঘট শুরু করেছিল বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন নামে একটি সংগঠন। একদিনের মাথায় সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে তারা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছিল।

বিডিজার্নাল/আরডি

Share.

About Author

Comments are closed.