সিলেটকে হারিয়ে চট্টগ্রামের শুভ সূচনা

0

ক্রীড়া ডেস্ক :

‘আন্ডারডগ হিসেবে মাঠে নামবে সিলেট থান্ডার্স।’ এমনটাই বলেছিলেন সিলেটের প্রধান কোচ হার্শেল গিবস। দলটায় তেমন কোনও বড় নামও নেই। তাতেও দুর্দান্ত খেলেছে মোহাম্মদ মিঠুন-জনসন চার্লসরা। যদিও শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সদের বিপক্ষে।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে দুপুরে টস জিতে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক রায়াদ এমরিত সিদ্ধান্ত নেন বোলিংয়ের। ব্যাটি করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রুবেল হোসেনের বলে সিলেট ওপেনার রনি তালুকদার মাত্র ৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে।

এরপর ৪৭ রানের জুটি গড়েন মিঠুন-চার্লস। যদিও চার্লস ২৩ বলে ৩৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রাখেন মিঠুন।

অপরাজিত থেকে খেলেন ৮৪ রানের লম্বা ইনিংস। তাতে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬২ রান তুলে সিলেট থান্ডার্স। দলের অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন করেন ২৯ রান।

চট্টগ্রামের হয়ে ২ উইকেট নেন রুবেল হোসেন ও ১টি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও রায়াদ এমরিত।
সিলেটের দেয়া ১৬৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই জুনাইদ সিদ্দিকীর উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। নাজমুল ইসলামের করা একই ওভারের শেষ বলে নাসির হোসেনও সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে।

তবে ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দো ইমরুল কায়েসকে নিয়ে সচল রাখেন রানের চাকা। লঙ্কান ওপেনার করেন ৩৩ রান ২৬ বলে। মাঝে রায়ান বার্লকে ৩ রানে ফেরান মোসাদ্দেক।

এরপর চাদউইক ওয়ালটনকে নিয়ে জুটি গড়েন ইমরুল। দুইজনের ৮৬ রানের জুটিতে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় চ্যালেঞ্জার্সরা।

ইমরুল শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬১ (৫ ছয়, ২ চার) রান করে ফেরেন এবাদত হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে। শেষে দিকে ওয়ালটন ও নুরুল হাসানের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটে আসরের প্রথম জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

সিলেটের হয়ে ২ উইকেট নেন নাজমুল হাসান ও ১টি করে উইকেট নেন ক্রিস্টোফার সান্টোকি, এবাদত হোসেন এবং মোসাদ্দেক হোসেন।

বিডিজার্নাল/আরডি

Share.

About Author

Comments are closed.