বন্দরে দুই দিনের ‘অপারেশন আইরিন’ সমাপ্ত

0

বিডিজার্নাল প্রতিনিধি :

চট্টগ্রাম বন্দরে দুই দিন ধরে চলা ‘অপারেশন আইরিন’ সমাপ্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে কোন ধরনের অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য যেন সন্ত্রাসীদের কাছে পৌঁছাতে না পারে সে জন্য বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) এর ডগ স্কোয়াড দিয়ে বন্দরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মূল অভিযান পরিচালনা করে শুল্ক গোয়ন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।এছাড়া বন্দর ও কাস্টমসও তাদের সহযোগীতা করেন।

মঙ্গলবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের ৪ নম্বর জেটির ১২ নম্বর শেড থেকে তল্লাশী শুরু হয়।আর্মস, ড্রাগ ও নার্কাটিক মালামাল ধরতে পারে বিজিবি’র এমন তিনটি কুকুর দিয়ে এ অভিযান চালানো হয়।

গতকাল সোমবার সিএফএস শেডে দিনভর অভিযান চালিয়ে কিছু পাওয়া যায়নি। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত কোন কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানান শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্ততের উপ-পরিচালক শামীমুর রহমান।

বিশ্বের ৩৩টি দেশে রাইলোর নির্দেশে এই অভিযান চলছে।অভিযানের নাম অপারেশন আইরিন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হোসাইন আহমেদ জানান, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সুযোগ নিয়ে যাতে কেউ অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য আনতে না পারে। আমদানী করে খালাস না করতে পারে। সে সমস্ত মালামাল যাতে সন্ত্রাসীদের হাতে না যায়। তার জন্য এই অভিযান চলছে।

তিনি আরো জানান, সারা দেশে অপারেশন আইরিন চলছে। এর আগে দুই দিন অভিযান পরিচালিত হয়েছে ঢাকা বিমান বন্দরে এবং অন্যান্য জায়গায়। গত শনিবার ও রবিবার হয়েছিল চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে। সোমবার ও মঙ্গলবার পরিচালিত হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে ।

তিনি আরো জানান, এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো যাতে সন্ত্রাসীদের  হাতে কোন ধরনের অবৈধ অস্ত্র, মাদকদ্রব্য পৌঁছাতে না পারে।আরেকটি কারণ হলো যারা সন্ত্রাসী, যারা এগুলি আমদানী করে তাদের কাছে বার্তা দেওয়া যাতে তারা সর্তক হয়ে এই ধরনের অবৈধ মালামাল আমদানী না করে। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ এসব মালামাল ধরার জন্য প্রস্তুত আছে।এই বার্তাটা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই অভিযান বলে জানান হোসাইন আহমদ।

বিডিজার্নাল৩৬৫ডটকম// আরডি/ এসএমএইচ // ১৯ জুলাই ২০১৬

Share.

About Author

Comments are closed.